Breaking News
Loading...
Share It

Gallery

Total Pageviews

Powered by Blogger.

Wikipedia

Search results

Translate

Followers

Thursday, November 13, 2014

আপনি জানেন কি ?

·         ... ...বাংলাদেশী খ্যাতনামা সাহিত্যিক  জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান১৯৭৬ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত নোবেল কমিটির সাহিত্য শাখার উপদেষ্টা ছিলেন?
·         কলম্বিয়ান কণ্ঠশিল্পী শাকিরা মাত্র চার বছর বয়সে তাঁর জীবনের প্রথম কবিতাটি লেখেন, যার নাম ছিলো লা রোসা দে ক্রিস্টাল?
·         ... একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অভিনেত্রীএলিজাবেথ টেইলর সাতজনকে মোট আট বার বিয়ে করেছিলেন, এবং বর্তমানেও তিনি কারো সাথে বিবাহিত নন?
·         ... ...স্কুইডের শুড় প্রকৃতপক্ষে বিবর্তিত পদ, যা পূর্বপুরুষের বিবর্তনের ধারায় জটিল গঠন বিশিষ্ট শুড়ে পরিণত হয়েছে?
·         দশ বছর বয়সে, একটি মেয়ের শরীরে একই বয়সের একটি ছেলের তুলনায় গড় চর্বির পরিমাণ থাকে মাত্র % বেশি, কিন্তু বয়ঃসন্ধির শেষে এসে এই পার্থক্য হয় ৫০%-এর কাছাকাছি?
কুতুব মিনার·               ...কুতুব মিনার ২০০৬ সালে ভারতের সবচেয়ে পরিদর্শিত সৌধ যার পর্যটকের সংখ্যা ছিলো প্রায় ৩৮.৯৫ লক্ষ, যেখানে তাজমহলের পরিদর্শিত পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ২৫.৪ লক্ষ?


Friday, November 7, 2014

বি সি এস প্রিপারেশন ( ৩৫ তম )

... আরতি সাহা প্রথম এশীয় মহিলা সাঁতারু যিনি সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন?

... মাচু পিচু ইনকা সভ্যতার এক দুর্গ নগরী, যা সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২৪০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত?

... কিছু ঝুমঝুমি সাপ আছে যেগুলো ডিম পাড়ার বদলে সরাসরি বাচ্চা সাপের জন্ম দেয়?

...মূলত অনাবিষ্কৃত বাংলাদেশের নোয়াপাড়া-ঈষাণচন্দ্রনগরের বৌদ্ধ প্রত্নত্বাত্বিক নিদর্শনকে কার্মান্ত ভাসাকারের হারিয়ে যাওয়া শহর বলে মনে করা হয়?

... ফরাসি সরকার ১৯২৮ সালে পরিবর্তনশীল নক্ষত্রের ওপর তার কাজের জন্য যশোর জেলার একজন কেরানী রাধাগোবিন্দ চন্দ্রকে OARF (Officer d'Academic Republic Francaise) পদক প্রদান করে?

... ১৯২০ সালে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী তৈরি করেন কালাজ্বরের ওষুধ ইউরিয়াস্টিবামাইন এবং ১৯২৯ সালে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীকে নোবেল পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল?


Thursday, November 6, 2014

নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ / রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আজি এ প্রভাতে রবির কর
কেমনে পশিল প্রাণের পর,
কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!
না জানি কেন রে এতদিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।
জাগিয়া উঠেছে প্রাণ,
ওরে উথলি উঠেছে বারি,
ওরে প্রাণের বাসনা প্রাণের আবেগ রুধিয়া রাখিতে নারি।

থর থর করি কাঁপিছে ভূধর,
শিলা রাশি রাশি পড়িছে খসে,
ফুলিয়া ফুলিয়া ফেনিল সলিল
গরজি উঠিছে দারুণ রোষে।
হেথায় হোথায় পাগলের প্রায়
ঘুরিয়া ঘুরিয়া মাতিয়া বেড়ায়
বাহিরিতে চায়, দেখিতে না পায় কোথায় কারার দ্বার।
কেন রে বিধাতা পাষাণ হেন,
চারি দিকে তার বাঁধন কেন!
ভাঙ্ রে হৃদয়, ভাঙ্ রে বাঁধন,
সাধ্ রে আজিকে প্রাণের সাধন,
লহরীর পরে লহরী তুলিয়া
আঘাতের পরে আঘাত কর্।
মাতিয়া যখন উঠেছে পরান
কিসের আঁধার, কিসের পাষাণ!
উথলি যখন উঠেছে বাসনা
জগতে তখন কিসের ডর!
আমি ঢালিব করুণাধারা,
আমি ভাঙিব পাষাণকারা,
আমি জগৎ প্লাবিয়া বেড়াব গাহিয়া
আকুল পাগল-পারা।
কেশ এলাইয়া, ফুল কুড়াইয়া,
রামধনু-আঁকা পাখা উড়াইয়া,
রবির কিরণে হাসি ছড়াইয়া দিব রে পরাণ ঢালি।
শিখর হইতে শিখরে ছুটিব,
ভূধর হইতে ভূধরে লুটিব,
হেসে খলখল গেয়ে কলকল তালে তালে দিব তালি।
এত কথা আছে, এত গান আছে, এত প্রাণ আছে মোর,
এত সুখ আছে, এত সাধ আছেপ্রাণ হয়ে আছে ভোর।।

কী জানি কী হল আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ
দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।
ওরে, চারিদেকে মোর
এ কী কারাগার ঘোর
ভাঙ্ ভাঙ্ ভাঙ্ কারা, আঘাতে আঘাত কর্।
ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,
এসেছে রবির কর।।

rule of law

RULE OF LAW, According to dicey the rule of law is one of the fundamental principal of English  legal system.

The Rule of law includes three concept .....

  1. Supremacy of law 
  2. Equality Before the law and 
  3. The guarantee of citizens rights  
Supremacy of law : No man is above the law . A man may be punished for a breach of law but can be punished for nothing else. it excludes the existence of arbitrariness of prerogative 

Equality before the law : Every man whatever his rank is subject to the ordinary law and the jurisdiction of ordinary tribunals no special or administrative tribunal .

The guarantee of citizens rights : According to dicey many countries rights such personal liberty,freedom of moment etc .the constitution of Bangladesh guaranteed 18 fundamental right these are Article  (27-44).


Wednesday, November 5, 2014

অমলকান্তি – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

অমলকান্তি আমার বন্ধু,
ইস্কুলে আমরা একসঙ্গে পড়তাম।
রোজ দেরি করে ক্লাসে আসতো,
পড়া পারত না,
শব্দরূপ জিজ্ঞেস করলে
এমন অবাক হয়ে জানলার 
দিকে তাকিয়ে থাকতো যে,
দেখে ভারী কষ্ট হত আমাদের।
আমরা কেউ মাষ্টার
হতে চেয়েছিলাম, কেউ ডাক্তার,
কেউ উকিল।
অমলকান্তি সে-সব কিছু
হতে চায়নি।
সে রোদ্দুর হতে চেয়েছিল! ক্ষান্তবর্ষণ কাক-
ডাকা বিকেলের সেই লাজুক
রোদ্দুর,
জাম আর জামরুলের পাতায়
যা নাকি অল্প-একটু হাসির মতন
লেগে থাকে।
আমরা কেউ মাষ্টার হয়েছি, কেউ
ডাক্তার, কেউ উকিল।
অমলকান্তি রোদ্দুর হতে পারেনি।
সে এখন অন্ধকার
একটা ছাপাখানায় কাজ করে।
মাঝে মধ্যে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে;
চা খায়, এটা-ওটা গল্প করে,
তারপর বলে, “উঠি তাহলে।
আমি ওকে দরজা পর্যন্ত
এগিয়ে দিয়ে আসি।

আমাদের মধ্যে যে এখন
মাষ্টারি করে,
অনায়াসে সে ডাক্তার হতে পারত,
যে ডাক্তার হতে চেয়েছিল,
উকিল হলে তার এমন কিছু
ক্ষতি হত না। অথচ, সকলেরই ইচ্ছেপূরণ হল, এক
অমলকান্তি ছাড়া।
অমলকান্তি রোদ্দুর হতে পারেনি।
সেই অমলকান্তিরোদ্দুরের
কথা ভাবতে-ভাবতে
ভাবতে-ভাবতে যে একদিন রোদ্দুর
হতে চেয়েছিল।

সনদপএ শিক্ষার প্রকৃত মাপকাঠি নয়

সনদপএ  শিক্ষার প্রকৃত মাপকাঠি নয় । কিন্তুু বর্তমানে এইটা প্রকৃত মাপকাঠি। বৎসরের পর বৎসর পাস করে গেলেই যথেষ্ট তারিফ পাওয়া যায় ।কিন্তুু তলিয়ে দেখা হয় না, কেবল পাস করলেই বিদ্যার্জন হয় না । বাস্তবিক পক্ষে ছাএের মনে জ্ঞানের প্রতি আনন্দজনক শ্রদ্ধার উদ্রেক হচ্ছে কিনা, তাই দেখবার বিষয়।
জ্ঞান চর্চায় প্রবল অনুরাগ সৃষ্টি ও নিরন্তর আনন্দ লাভ করলেই সার্থক ।

কাঁদতে আসিনি ফাঁসীর দাবী নিয়ে এসেছি - ( মাহাবুব উল আলম চৌধুরী )


ওরা চল্লিশজন কিংবা আরো বেশী
যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে-রমনার রৌদ্রদগ্ধ কৃষ্ণচূড়ার গাছের তলায়
ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য-বাংলার জন্য
যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে
একটি দেশের মহান সংস্কৃতির মর্য্যাদার জন্য
আলাওলের ঐতিহ্য
কায়কোবাদ, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের
সাহিত্য ও কবিতার জন্য-
যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে
পলাশপুরের মকবুল আহমদের
পুঁথির জন্য-
রমেশ শীলের গাঁথার জন্য
জসীম উদদীনের 'সোজন বাদীয়ার ঘাটের' জন্য
যারা প্রাণ দিয়েছে
ভাটীয়ালি, বাউল, কীর্ত্তন, গজল
নজরুলের 'খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি
আমার দেশের মাটি।'
এদুটি লাইনের জন্য
দেশের মাটির জন্য,
রমনার মাঠের সেই মাটিতে
কৃষ্ণচূড়ার অসংখ্য ঝরা পাপড়ির মতো
চল্লিশটী তাজা প্রাণ, আর
অঙ্কুরিত বীজের খোসার মধ্যে
আমি দেখতে পাচ্ছি তাদের অসংখ্য বুকের রক্ত।
রামেশ্বর, আবদুস সালামের কচি বুকের রক্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সেরা কোন ছেলের বুকের রক্ত।
আমি দেখতে পাচ্ছি তাদের প্রতিটী রক্ত কণা
রমনার সবুজ ঘাসের উপর
আগুনের মতো জ্বলছে, জ্বলছে আর জ্বলছে।
এক একটি হীরের টুকরোর মতো
বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা চল্লিশটী রত্ন
বেঁচে থাকলে যারা হতো
পাকিস্তানের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ
যাদের মধ্যে লিংকন, রকফেলার,
আরাগঁ, আইন-ষ্টাইন আশ্রয় পেয়েছিল
যাদের মধ্যে আশ্রয় পেয়েছিল
শতাব্দীর সভ্যতার
সবচেয়ে প্রগতিশীল কয়েকটী মতবাদ,
সেই চল্লিশটী রত্ন যেখানে প্রাণ দিয়েছে
আমরা সেখানে কাঁদতে আসিনি।
যারা গুলি ভরতি রাইফেল নিয়ে এসেছিল ওখানে
যারা এসেছিল নির্দ্দয় ভাবে হত্যা করার আদেশ নিয়ে
আমরা তাদের কাছে
ভাষার জন্য আবেদন জানাতেও আসিনি আজ।
আমরা এসেছি খুনী জালিমের ফাঁসীর দাবী নিয়ে। 
আমরা জানি তাদের হত্যা করা হয়েছে
নির্দয় ভাবে তাদের গুলি করা হয়েছে
ওদের কারো নাম তোমাদেরই মতো ‘‘ওসমান
কারো বাবা তোমারই বাবার মতো
হয়তো কেরানী, কিম্বা পূর্ব বাংলার 
নিভৃত কোন গাঁয়ে কারো বাবা
মাটির বুক থেকে সোনা ফলায়
হয়তো কারো বাবা কোন
সরকারী চাকুরে।
তোমরাই আমারই মতো,
যারা হয়তো আজকে বেঁচে থাকতে পারতো
আমারই মতো তাদের কোন একজনের
হয়তো বিয়ের দিন ধার্য হয়েছিল
তোমারই মতো তাদের কোন একজন হয়তো
মায়ের সদ্যপ্রাপ্ত চিঠিখানা এসে পড়বার আশায় 
টেবিলে রেখে মিছিলে যোগ দিতে গিয়েছির
এমন এক একটি মূর্তিমান স্বপ্নকে বুকে চেপে
জালিমের গুলিতে যারা প্রাণ দিল
সেই সব মুতদের নামে 
আমি ফাঁসির দাবী করছি,
যারা আমার মাতৃভাষাকে নির্বাসন দিতে
চেয়েছে তাদের জন্য
আমি ফাঁসি দাবী করছি,
যাদের আদেশে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তাদের জন্য,
ফাঁসি দাবী করছি
যারা এই মৃতদেহের উপর দিয়ে
ক্ষমতার আসনে আরোহন করছে
সেই বিশ্বাস ঘাতকদের জন্য।
আমি ওদের বিচার দেখতে চাই।
খোলা ময়দানে সেই নির্দিষ্ট জায়গাতে
শাস্তিপ্রাপ্তদের গুলীবিদ্ধ অবস্থায়
আমার দেশের মানুষ দেখতে চায়।
পাকিস্তানের প্রথম শহীদ
এই চল্লিশটি রত্ন
দেশের চল্লিশজন সেরা ছেলে
মা, বাব, বৌ আর ছেলে নিয়ে 
এই পৃথিবীর কোলে এক একটি
সংসার গড়ে তোলা যাদের 
স্বপ্ন ছিল।
যাদের স্বপ্ন ছিল আইনস্টাইনের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে 
আরো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার 
যাদের স্বপ্ন ছিল আণবিক শক্তিকে
কিভাবে মানুষের কাজে লাগারো যায়,
শান্তিকে কাজে লাগানো যায়,
তার সাধনা করার,
যাদের স্বপ্ন ছিল-রবীন্দ্রনাথের
‘‘
বাঁশীওয়ালারচেয়েও সন্দর
একটি কবিতা রচনা করার,
সেই সব শহীদ ভাইয়েরা আমার 
যেখানে তোমরা প্রাণ দিয়েছ
সেখানে হাজার বছর পরেও
সেই মাটি থেকে তোমাদের রক্তাক্ত চিহ্ন
মুছেদিতে পাবে না সভ্যতার কোন পদক্ষেপ।

যদিও অসংখ্য মিছিল অস্পষ্ট নিস্তব্ধতাকে ভঙ্গ করবে একদিন
তবুও বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ঘন্টা ধ্বনি
প্রতিদিন তোমাদের ঐতিহাসিক মৃত্যুক্ষণ
ঘোষনা করবে,
যদিও আগামীতে কোন ঝড়ঝঞ্ঝা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ভিত্তি পর্যন্ত নাড়িয়ে দিতে পারে
তবুও তোমাদের শহীদ নামের ঔজ্জ্বল্য 
কিছুতেই মুছে যাবে না।
খুনী জালিমের নিপীড়নকারীর কঠিন হাত
কোনদিনও চেপে দিতে পারবে না 
তোমাদের সেই লক্ষ্য দিনের আশাকে
যেদিন আমরা লড়াই করে জিতে নেব
ন্যায় নীতির দিন
হে আমার মৃত ভায়েরা,
সেই নিস্তব্ধতার মধ্য থেকে 
তোমাদের কণ্ঠস্বর
স্বাধীনতার বলিষ্ঠ চীৎকার
ভেসে আসবে।
সেই দিন আমাদের দেশের জনতা
খুনী জালিমের ফাঁসির কাষ্ঠে
ঝুলাবেই ঝুলাবে
তোমাদের আশা অগ্নি শিখার মতো জ্বলবে
প্রতিশোধ এবং বিজয়ের আনন্দে।